পরেশ দেবনাথ, যশোর, দৈনিক সারা দুনিয়া।
কেশবপুরের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রধান কার্যালয় (স্থলবন্দর ভবন) আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭ উপপরিচালক (প্রশাসন) মোঃ রেজাউল করিম লিভারে টিউমার ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য গত দুইসপ্তাহ যাবত ভারতের চেন্নাই এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি অত্যন্ত কঠিন সময় পার করছেন। সকলে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া/আশীর্বাদ করার আহবান জানিয়েছেন।
একজন মেধাবী, দক্ষ, সৎ, নিষ্ঠাবান, অভিজ্ঞ, পরিশ্রমী, সদালাপী ও দেশপ্রেমিক, হাস্যজ্জল, পরোপকারী, সর্বজন শ্রদ্ধেয় মানুষটি যাঁর উপকারের কথা বলে শেষ করা যায় না, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক (প্রশাসন) মোঃ রেজাউল করিম-এর দ্রুত সুস্থতা জানিয়েছেন, কেশবপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ।
সুদূর ফ্রান্স থেকে ফিরোজমাসুদ সাহেব জানিয়েছেন, "খবরটি ফেইসবুকের মাধ্যমে জানতে পেরে হতভম্ব, স্তম্ভিত ও হতবিহবল হয়ে পড়লাম এবং কায়মনোবাক্যে মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করছি খবরটি যেনো মিথ্যে হয়।
মহান রাব্বুল আলামীন । রাহমানুর রহিম। পরোয়ার দেগার আপনার প্রতি সদয় হোন ! দয়া করুন ! আমার দোয়া ও কেশবপুর সহ সারা বাংলাদেশে অগনিত মানুষের দোয়া নিশ্চয়ই একমাত্র নিয়ন্ত্রক মহান রব শুনবেন !
আপনি সেরে উঠুন ভাই! মনের জোর হারালে চলবে না! ভাবি ও মামণিদের কথা চিন্তা করে অনেক শক্ত থাকতে হবে ! অনেক কথা আপনার সঙ্গে। আপনাকে দেখার অনেক ইচ্ছে! আমার সঙ্গে দেখা না হলে আমি কিন্তু কোথাও আপনাকে যেতে দিচ্ছি না !!
আর কেশবপুরবাসী সকল মানুষের নিকট অনুরোধ করবো আপনার জন্য যেনো সবাই অন্তত থেকে আল্লাহর নিকট দু'হাত তুলে দোয়া করেন।
রোববার (০২ আগস্ট-২৬) তিনি জানিয়েছেন, "আমি লিভারের টিউমার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২ সপ্তাহ যাবত ভারতের চেন্নাই এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। চিকিৎসকের প্রোটোকল অনুযায়ী এ পর্যন্ত ২টি কেমো ও একটি ইমিউনোথেরাপি দেওয়া হয়েছে।
মোট চারটি সাইকেলে আটটি কেমো ও চারটি ইমিউনোথেরাপি দিতে হবে। সঙ্গে লিভার, ফুসফুসের ক্লট, মাল্টিভিটামিন, এন্টিবায়োটিকসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক ওষুধ সেবন অব্যাহত রাখতে হবে।
মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) দেশে ফেরার টিকেট করা হয়ছে। দেশে অবস্থানকালীন কেমো ও ইমিউনোথেরাপি দেয়ার জন্য ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে রেফার করে দিয়েছেন এপোলো হাসপাতালের অনকোলজী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অনকোলজিস্ট Dr. T. Raja Sir.
সেপ্টেম্বর মাসের ১তারিখে আবার ভারতের চেন্নাই এপোলো হাসপাতালে এসে ১০-১২ দিন থেকে 3rd cycle এর ইমিউনোথেরাপি ও কেমো দিতে হবে।এরপর 4th cycle এর ইমিউনোথেরাপি ও কেমো সঙ্গে করে দেশে এনে স্কয়ার হাসপাতালে দেয়া যাবে।
চারটি সাইকেলের মোট আটটি কেমো ও চারটি ইমিউনোথেরাপি দেয়া শেষ হলে আবার ভারতের চেন্নাই এপোলো হাসপাতালে এসে হোলবডি পেট সিটি স্ক্যানসহ আনুষঙ্গিক টেস্ট করানোর পর আমার লিভারের টিউমার ও ক্যান্সারের অগ্রগতি জেনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ/ডক্টর লিভারের টিউমার এর সার্জারী বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।
আমি এলাকাবাসী ও দেশবাসীর নিকট দোয়া চাই। সর্বশক্তিমান আল্লাহতা'আলা যেন আমাকে ক্ষমা করে দ্রুত সুস্থতা দান করেন-আমীন।"এদিকে কেশবপুরবাসী তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া/আশির্বাদ অব্যাহত রেখেছেন।
