সাটুরিয়া চন্দ্রখালী খাল’ পুনঃখনন প্রকল্প কাজ শেষে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কাজী অনিক ইসলাম।

স্টাফ রিপোর্টার
0

 


মো: আবুবকর সিদ্দিক : মানিকগঞ্জ সাটুরিয়া থেকে ,দৈনিক সারা দুনিয়া।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়নে দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল,  জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজীখালি নদীর সংযোগ হতে  ‘চন্দ্রখালী খাল’ পুনঃখনন প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে।



সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় সাটুরিয়া গাজীখালি নদীর সংযোগ হতে  ‘চন্দ্রখালী খাল’ পুনঃখনন প্রকল্প  বালিয়াটি ইউনিয়নের খলিলাবাদ এলাকা পর্যন্ত ৬.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ চন্দ্রখালী খালের ৪.২ কিলোমিটার অংশ পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৮৩ লাখ ২৭ হাজার ৬২৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের নির্ধারিত কাজ শেষ করার পর 

সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কাজী অনিক ইসলাম খাল পুনঃ খনন শেষে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন, ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ১৫৬ শত টাকা অব্যবহৃত থেকে যায়। নিয়মানুযায়ী পরবর্তীতে সাশ্রয় হওয়া অর্থ সরকারি তহবিলে জমা দেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ অনিক ইসলাম। 



​সাটুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান, “সরকারি নির্দেশনা মেনে ৬.৯ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্ষার কারণে একাধিকবার ভাঙন দেখা দিলে পাড় মেরামত করা হয়। এছাড়া খালের স্থায়িত্ব ও পরিবেশ রক্ষায় দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।


 

​উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোহাম্মদ কাজী অনিক ইসলাম জানান, গাজীখালি নদীর সংযোগ হতে চন্দ্রখালি খালটি বর্ষার সময় ঠিকমত পানি প্রবেশ করতে পারে না।  খালটি দীর্ঘদিন ধরে দখল ও ভরাটের কারণে প্রায় অকেজো অবস্থায় পড়ে ছিল। 


বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম রিতা এম,পি খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ হাতে নেয়। গত ১১ মে গাজীখালি নদীর সংযোগ হতে চন্দ্রখালটি পুনঃখননের শুভ উদ্বোধন সময় বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম রিতা এম,পি মহোদয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা উপস্থিত থেকে কাজের উদ্বোধন করে। মন্ত্রী মহোদয় নিজ হাতে খাল খননের কাজ শুরু করেন। 



​খালের বিভিন্ন স্থানে প্রস্থের তুলনায় বাস্তবে ভিন্নতা থাকায় নির্ধারিত কাজ  কম ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ শেষ করার পর সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ১৫৬ শত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)