পরেশ দেবনাথ, যশোর, দৈনিক সারা দুনিয়া।
কেশবপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ঘরবাড়ি ল*ন্ডভ*ন্ড, বিদ্যুৎ বিপর্যয়। কেশবপুর উপজেলায় শিলা বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে মৌসুমি ফলসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় টিনের ঘরের ছাউনি উড়ে যায়, অনেক ঘরের চালা ভেঙে পড়ে এবং বসতঘর আংশিক ও সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল-২৬) দুপুরে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে আকাশে হঠাৎ করেই কালো মেঘ উঠে হঠাৎ শুরু হয় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়। ঝড়ের গতি বেড়ে গেলে মুহূর্তের মধ্যে ঘরের টিন ও কাঠামো ছিটকে পড়ে। অনেক পরিবারের রান্নাঘর ও বসতঘরের চাল উড়ে যাওয়ায় তারা খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র, কাপড় চোপড়সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভিজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আম ও লিচুসহ মৌসুমি ফলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছ গাছালি ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ও খুঁটি ভেঙে গেছে।
এদিকে, ঝড়ের প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাকা ও আধাপাকা ধানগাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ব্যাপক কৃষি ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বড় বড় গাছ উপড়ে সড়কের ওপর পড়ে থাকায় কিছু এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক পরিবার জানান, হঠাৎ এমন দুর্যোগে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন।
যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কেশবপুর জোনাল অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম বলেন, যশোর থেকে আসা মেইন লাইন-সহ উপজেলার অভ্যন্তরে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ও খুটিসহ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ লাইন চালু করতে বেশ সময় লাগবে। মানুষের ভোগান্তি লাঘবে আমরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
