কেশবপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে থাই মিস্ত্রির মৃত্যু /আহত তিন।

স্টাফ রিপোর্টার
0

 


পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি , দৈনিক সারা দুনিয়া।


কেশবপুরে নির্মাণাধীন ভবনের জানালার কাচ লাগাতে গিয়ে হাইভোল্টেজ বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে তুহিন হোসেন (৩০) নামের এক থাইমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে।

 আজ শনিবার দুপুরে পৌর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন একটি ভবনের চতুর্থ তলায় এ ঘটনা ঘটে। তুহিন মনিরামপুর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা খানপুর গ্রামের আজিজ সরদারের ছেলে। আহতরা হলেন, একই গ্রামের আবু সাঈদ (৩০), কেশবপুর পৌর শহরের মান্নান বিশ্বাসের ছেলে আব্দুল মোমিন বিশ্বাস (৩৫) ও ভোগতী গ্রামের সিয়াম (১৮)। এ ঘটনায় নিহতের আপন বড় ভাই শাহীন আলম বাদী হয়ে কেশবপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছে। যার মামলা নং-৬৬।

ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পৌর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন আনিসুর রহমানের নির্মাণাধীন পাঁচতলা ভবনের চতুর্থ তলায় শনিবার দুপুরে জানালায় থাইগ্লাস (কাচ) লাগানোর কাজ করছিলেন তুহিন হোসেনসহ অন্য মিস্ত্রিরা। কাজ করার সময় ভবনের পাশের ৩৩ হাজার ভোল্টের কভার দেওয়া বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই তুহিন মারা যান। এ সময় মনিরামপুর উপজেলার মাছনা খানপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে থাইমিস্ত্রি আবু সাঈদ (৩৩) আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে বিদ্যুতের তারের ওপর থেকে মৃত অবস্থায় তুহিন হোসেনের লাশ উদ্ধার করেন। এ ছাড়া স্থানীয়রা আহত আবু সাঈদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

কেশবপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের টিম লিডার ইউসুফ আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারের ওপর থেকে তুহিন হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

পল্লী বিদ্যুৎ কেশবপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম আব্দুর রব বলেন, ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ এর তার বিপদজনক। যে কারণে এর পাশে কাজ না করার জন্য ভবন মালিককে বার বার নিষেধ করা হয়েছে। তিনি কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই বিপদজনক বিদ্যুৎ এর তারের পাশে সেফটি ছাড়াই মিস্ত্রি দিয়ে কাজ করিয়েছেন। যে কারণে এই দূর্ঘটনা ঘটেছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, নির্মানাধীন ভবনের কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পষ্টে সোহেল তুহিনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। নিহতের স্বজনের কোন অভিযোগ না থাকায় নিহতের মরদেহ পরিবারের লোকজনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।


Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)