পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর, যশোর , দৈনিক সারা দুনিয়া।
কেশবপুরের সাংস্কৃতিক জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সংগীত শিক্ষক শান্তা বসু (৬২) বার্ধক্য জনিত কারণে বুধবার (০৭ জানুয়ারি-২৬) নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেছেন। কেশবপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর অবদান অপরিসীম। তাঁর হাতে তৈরী হয়েছে শত শত শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মী। তিনি অত্যন্ত বিনয়ী, পরোউপকারী, সৎ ও হাস্যোজ্জ্বল ছিলেন। তাঁর এই বিদায়ে কেশবপুর সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো। তিনি কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের প্রয়াত অসিত বসু রেন্টু-এর সহধর্মিণী। বিকেল ৩ টায় উপজেলার কুঠিবাড়ি মহাশ্মশাণে শেষ কৃত্যানুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। তিনি এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী রেখে গেছেন।
তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপালী রানী, উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিমল কুমার কুন্ডু, কেশবপুর শিশু এ্যাকাডেমীর প্রশিক্ষক ও পাঁজিয়া মাধ্যমিক বিদয়ালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কণ্ঠশিল্পী উজ্জ্বল ব্যানার্জি, কেশবপুর মধুসূদন সঙ্গীতালয়ের পরিচালক অলোক কুমার বসু, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শিক্ষক ও বেতার শিল্পী ইন্দ্রজিৎ হালদার, বাংলাদেশ বেতার খুলনার কণ্ঠশিল্পী ও বিশিষ্ট গীতি কবি এস এম সিরাজুল ইসলাম, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী কেশবপুর শাখা সংসদের সভাপতি অনুপম মোদক, সাধারণ সম্পাদক নিমাই চাঁদ নন্দন, কার্য্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কবি প্রনব মণ্ডল মানব, অনিমেষ সাহা বাপি, কেশবপুর খেলাঘর-এর সভাপতি আব্দুল মজিদ বড়ভাই, কেশবপুর মধুসূদন সঙ্গীতালয়, চারুপীঠ একাডেমি-সহ কেশবপুরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিশু শিল্পীরা, অভিভাবক ও সুধী জনেরা।
